Binance-এর তহবিলের সূত্র THORChain-এ Bitget-এর সঙ্গে মিলেছে

Binance-এর তহবিল অনুসরণ করে আলাদা একটি Bitget মামলার সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের সন্ধান মিলেছে। অন-চেইন তদন্তকারী ZachXBT বলেছেন, দুই মামলার কিছু তহবিল THORChain-এর মধ্য দিয়ে একই Ethereum ঠিকানায় পৌঁছেছে: 0x15104a9ce0f08a8f0075a0869ae80e795fe0feb7। তাঁর মতে, এই মিল থেকে একই পক্ষের জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলতে পারে। তবে ঠিকানাটি তহবিলের কেবল একটি অংশের যোগসূত্র দেখায় এবং কোনো ঘটনার পেছনে কারা ছিল তা নিশ্চিত করে না। প্রতিবেদনটি এই সূত্রকে চুরি হওয়া ক্রিপ্টো পাচার করে ফিয়াট মুদ্রায় রূপান্তরের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে তুলে ধরেছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলেছে, উত্তর কোরিয়ার চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ৩৭.৬ মিলিয়ন ডলারের তহবিল Huione পেয়েছে। এর মধ্যে DMM থেকে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ডলার এবং Atomic Wallet, CoinsPaid ও Alphapo-র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২.৬ মিলিয়ন ডলার রয়েছে। পৃথক তদন্তে পেমেন্ট নেটওয়ার্ক, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং Bybit ও Ronin-সহ বিভিন্ন ঘটনার চুরি হওয়া সম্পদের মধ্যে সন্দেহভাজন যোগসূত্রের কথা বলা হয়েছে। শুধু ব্লকচেইন লেনদেন অনুসরণ করে শেষ পর্যন্ত কারা অর্থ পেয়েছে তা নির্ধারণ করা যায় না। তদন্তকারীদের এক্সচেঞ্জ ও OTC-সংক্রান্ত নথি, ব্যাংক তথ্য, পেমেন্ট লগ এবং অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণকারীদের পরিচয়ও প্রয়োজন হবে। ট্রেডারদের জন্য এই অনুসন্ধানগুলো আন্তঃচেইন অর্থপাচারের চলমান ঝুঁকি এবং ক্রিপ্টো থেকে ফিয়াটে রূপান্তরের মাধ্যমগুলোর ওপর বাড়তি নজরদারির বিষয়টি তুলে ধরে। তবে এগুলো নতুন কোনো ক্ষতির ঘটনা প্রমাণ করে না, কিংবা Binance ও Bitget মামলায় একই অপরাধীরা জড়িত ছিল বলেও নিশ্চিত করে না।
Neutral
প্রতিবেদনটি ক্রিপ্টো চুরি, একাধিক ব্লকচেইনজুড়ে অর্থ পাচার এবং ডিজিটাল সম্পদকে ফিয়াট মুদ্রায় রূপান্তরের জন্য পেমেন্ট চ্যানেল ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ তুলে ধরেছে। এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতি বাজারের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে এবং স্বল্পমেয়াদে সতর্কতা বাড়াতে পারে—বিশেষ করে তদন্তকারী বা কর্তৃপক্ষ আরও প্রমাণ, সম্পদ জব্দ কিংবা আইন প্রয়োগের পদক্ষেপ প্রকাশ করলে। তবে নিবন্ধে অন-চেইনে আংশিক যোগসূত্রের কথা বলা হয়েছে; নিশ্চিতভাবে দায় নির্ধারণ, নতুন করে আবিষ্কৃত ক্ষতি বা বাজারের তারল্যের ওপর তাৎক্ষণিক হুমকির কথা নয়। একই ঠিকানা থাকার অর্থ এই নয় যে Binance ও Bitget-এর ঘটনাগুলোর পেছনে একই অপরাধীরা ছিল। অতীতে এক্সচেঞ্জ হ্যাক এবং অর্থ পাচারসংক্রান্ত বড় তদন্ত কখনো কখনো সংশ্লিষ্ট টোকেনে স্বল্পস্থায়ী অস্থিরতা বা সামগ্রিকভাবে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা সৃষ্টি করেছে, বিশেষত যখন গ্রাহকদের ক্ষতি, অর্থ উত্তোলন বা আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এখানে কোনো কার্যক্রমে বিঘ্ন বা নতুন ক্ষতির পরিমাণ জানানো হয়নি, যা স্পষ্ট কোনো ট্রেডিং অনুঘটক হতে পারে। স্বল্পমেয়াদে ট্রেডাররা শুধু এই ট্রেসিং দাবিকে বাজারসংকেত হিসেবে না ধরে বরং আনুষ্ঠানিক বিবৃতি, তহবিল জব্দ এবং এক্সচেঞ্জে অর্থপ্রবাহের দিকে নজর রাখতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদে, একাধিক ব্লকচেইনজুড়ে আরও শক্তিশালী নজরদারি এবং OTC লেনদেন ও ফিয়াটে প্রবেশের মাধ্যমগুলোর ওপর বাড়তি তদারকি প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করতে পারে; তবে এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর কমপ্লায়েন্স ব্যয় ও সুনামগত ঝুঁকিও বাড়তে পারে। সামগ্রিকভাবে, প্রমাণগুলো নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়, তবে বাজারে এর সরাসরি প্রভাব এখনো সীমিত এবং অনিশ্চিত।