XRP সাপোর্ট ভাঙায় বিটকয়েনের দাম ৮০ হাজার ডলারের দিকে নামছে
৮৫,০০০ ডলারের দিকে ওঠার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বিটকয়েনের দাম কমে ৮০,৪০০ ডলারে নেমেছে। ফলে দিনের হিসাবে বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সিটির দাম প্রায় ১% কমেছে। এই পতনের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সম্পর্ক থাকতে পারে, তবে নিবন্ধে সরাসরি কারণ-সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বিটকয়েনের বাজারমূল্য কমে ১.৬২ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, আর বাজারে এর আধিপত্য প্রায় ৬০%-এ স্থির রয়েছে।
বিটকয়েনের পতনের পাশাপাশি অল্টকয়েন বাজারেও দরপতন হয়েছে। ইথার ২,৪০০ ডলারের নিচে নেমেছে, XRP ১.৩০ ডলারের সমর্থনস্তর ভেঙে নিচে নেমেছে, আর সোলানা ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তালিকাভুক্ত টোকেনগুলোর মধ্যে WLD-এর পতন ছিল সবচেয়ে বেশি, অন্যদিকে সামগ্রিক প্রবণতার বিপরীতে M প্রায় ১০% বেড়েছে। ক্রিপ্টো বাজারের মোট বাজারমূল্য ১%-এর বেশি কমে ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে নেমেছে। বিটকয়েন ৮০,০০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে কি না এবং অল্টকয়েনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ সমর্থনস্তর ভেঙে পড়ে কি না, তা трейডাররা নজরে রাখবেন।
Bearish
তাৎক্ষণিক বাজারসংকেতটি নিম্নমুখী: বিটকয়েন দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রায় ৮৫,০০০ ডলার থেকে নেমে ৮০,৪০০ ডলারে এসেছে; একই সঙ্গে ইথার, XRP এবং বিভিন্ন অল্টকয়েনের দামও কমেছে। XRP-এর দাম ১.৩০ ডলারের নিচে নামা এবং সোলানার ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোয় দৃশ্যমান সাপোর্টের স্তরগুলো এখন নজরে এসেছে। মোট বাজারমূল্য কমার পাশাপাশি বিটকয়েনের আধিপত্য প্রায় ৬০ শতাংশে থাকায় বোঝা যেতে পারে, বিটকয়েন নিজেও দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা অল্টকয়েনের তুলনায় বিটকয়েনের আপেক্ষিক তারল্যকে বেশি পছন্দ করছেন।
স্বল্পমেয়াদে ব্যবসায়ীরা ঝুঁকি কমাতে পারেন অথবা বিটকয়েন ৮০,০০০ ডলারের ওপরে টিকে থাকতে পারে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা করতে পারেন। ওই স্তরের নিচে দৃঢ়ভাবে নেমে গেলে বিক্রির চাপ বাড়তে পারে এবং আরও লিকুইডেশন ঘটতে পারে; অন্যদিকে ওই স্তরে টিকে থেকে দাম ঘুরে দাঁড়ালে তাৎক্ষণিক দরপতনের আশঙ্কা কিছুটা কমতে পারে। নিবন্ধে ইরান সংঘাত নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যকে সম্ভাব্য একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এর সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। তবু ভূরাজনৈতিক খবর বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে এবং ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা জোরদার করতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেশি। একবারের দরপতন দীর্ঘস্থায়ী নিম্নমুখী প্রবণতা প্রমাণ করে না, আর সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হলে দাম স্থিতিশীল হতে পারে। ব্যবসায়ীরা বিটকয়েনের সাপোর্ট, বাজারে এর আধিপত্য এবং ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টার দিকে নজর রাখবেন; পাশাপাশি অল্টকয়েনগুলো হারানো স্তর ফিরে পায় কি না, সেটিও দেখবেন। প্রতিবেদনে বলা দামের ওঠানামা স্বল্পমেয়াদি দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়, ভবিষ্যৎ বাজারদিকের নিশ্চিত পূর্বাভাস নয়।