বিটকয়েনের পূর্বাভাস: যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

প্রবন্ধটির যুক্তি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অচলাবস্থা বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন সীমিত করে বাজারের জন্য উপকারী হতে পারে; পাশাপাশি, বেশি নিশ্চয়তা থেকে বিটকয়েনও লাভবান হতে পারে বলে এতে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বিটকয়েনের সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের লক্ষণ হিসেবে প্রবন্ধে কয়েকটি প্রযুক্তিগত সংকেত তুলে ধরা হয়েছে: সম্ভাব্য W-আকৃতির প্যাটার্ন, ডাবল বটম এবং ৮৭,০০০ ডলারের কথিত সর্বোচ্চ দাম থেকে পতনের পর আগেরটির চেয়ে উঁচু নিম্নস্তর। প্রবন্ধটি ৮১,০০০ ডলারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধের স্তর হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং বলেছে, এর ওপরে দাম উঠলে সাম্প্রতিক বিয়ারিশ প্রবণতা দুর্বল হতে পারে। সাপ্তাহিক চার্টে বিটকয়েন তার ৫০-সপ্তাহের সরল চলমান গড় পুনরায় পরীক্ষা করেছে বলে বর্ণনা করা হয়েছে; প্রবন্ধটির মতে, আগের বুল মার্কেটগুলোতে এই স্তরটি সমর্থন হিসেবে কাজ করেছে। এগুলো প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যা, নিশ্চিত সংকেত নয়; আর নির্বাচন-নিয়ন্ত্রণ ও দামের স্তর নিয়ে প্রবন্ধের দাবিগুলো তাদের মূল প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা উচিত। প্রতিরোধের স্তর পুনরুদ্ধার হয় কি না এবং সমর্থন টিকে থাকে কি না, তার ওপরই বিটকয়েনের গতিপথ নির্ভর করবে।
Bullish
প্রবন্ধটির সামগ্রিক উপস্থাপন আশাবাদী: এতে রাজনৈতিক অচলাবস্থাকে বাজারে বেশি নিশ্চয়তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এবং বিটকয়েনের পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে—এমন চার্টের ধরন তুলে ধরা হয়েছে। স্বল্প মেয়াদে, BTC নিশ্চিত ডাবল বটম তৈরি করে কি না, আগের চেয়ে উচ্চতর শীর্ষ গড়ে কি না এবং উল্লেখ করা ৮১,০০০ ডলারের রেজিস্ট্যান্স ভাঙে কি না—তা ব্যবসায়ীরা নজরে রাখতে পারেন। রেজিস্ট্যান্স অতিক্রম করতে না পারলে, অথবা ৫০-সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজের নিচে নেমে গেলে, এই যুক্তি দুর্বল হবে এবং নতুন করে বিক্রির চাপ তৈরি হতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদে, প্রবন্ধটি ৫০-সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজকে বুল মার্কেটের সম্ভাব্য সাপোর্ট স্তর হিসেবে বিবেচনা করেছে; তবে একবারের রিটেস্টই নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে—এ কথা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট নয়। অতীতে কখনো কখনো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অচলাবস্থায় বাজার ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে, কারণ এতে নীতিগত পরিবর্তন সীমিত হতে পারে। তবে এই সম্পর্ক নিশ্চিত নয়; বৃহত্তর ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা, তারল্য এবং অন্যান্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিষয় এর চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। প্রবন্ধটির রাজনৈতিক ভিত্তিও সতর্কতার সঙ্গে দেখা উচিত: এতে বলা হয়েছে যে ডেমোক্র্যাটরা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, যা ২০১৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রকৃত ফলের সঙ্গে মেলে না—সেবার রিপাবলিকানরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। তাই বুলিশ শ্রেণিবিভাগটি প্রবন্ধে প্রস্তাবিত বাজার-সংকেতের প্রতিফলন, কোনো নিশ্চিত অনুঘটক বা নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস নয়।