যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের পতন ও ETF থেকে অর্থপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় চাপে বিটকয়েন
মার্কিন শেয়ারবাজারে তীব্র পতনের কারণে বিটকয়েনের দাম ৮০,০০০ ডলারের ওপরে পুনরুদ্ধারের পথে বাধার মুখে পড়েছে। ব্ল্যাকরকের বিটকয়েন ETF থেকে ২০১.২ মিলিয়ন ডলারের অর্থ বেরিয়ে গেছে, যদিও সব মিলিয়ে বিটকয়েন ETF-গুলোতে নিট অর্থপ্রবাহ ছিল। নিবন্ধে বলা হয়েছে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর S&P 500 ও Nasdaq-এর পতন বিটকয়েনের প্রতি আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। শেয়ারবাজারের দুর্বলতা এবং ব্ল্যাকরকের তহবিল থেকে অর্থপ্রবাহ—এই দুইয়ের সমন্বয় স্বল্পমেয়াদে বিটকয়েনের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যদিও সামগ্রিক ETF-এ অর্থপ্রবাহ এর বিপরীতে একটি ইতিবাচক দিক।
Bearish
প্রতিবেদনটি বিটকয়েনের জন্য স্বল্পমেয়াদি নিম্নমুখী ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে: যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় পতন হয়েছে, বিটকয়েন ৮০,০০০ ডলারের ওপরে থাকতে হিমশিম খেয়েছে, আর ব্ল্যাকরকের বিটকয়েন ETF থেকে ২০১.২ মিলিয়ন ডলার বেরিয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বাজারে এ ধরনের দুর্বলতার সময়ে ব্যবসায়ীরা প্রায়ই অস্থির বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ কমিয়ে দেন; অন্যদিকে ETF থেকে অর্থ বেরিয়ে যাওয়া প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াতে পারে। তবে নিবন্ধে সব মিলিয়ে বিটকয়েন ETF-গুলোতে নিট অর্থপ্রবাহের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, তাই শুধু ব্ল্যাকরকের এই পরিসংখ্যান দিয়ে তহবিলের চাহিদায় ব্যাপক পরিবর্তন প্রমাণ হয় না। স্বল্প মেয়াদে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ব্যবসায়ীরা শেয়ারবাজারের গতিপথ, বিটকয়েন ৮০,০০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে কি না এবং দৈনিক ETF অর্থপ্রবাহের দিকে নজর রাখতে পারেন। দীর্ঘ মেয়াদে, শুধু এই প্রতিবেদন দিয়ে বিটকয়েনের প্রবণতা নির্ধারণ করা যায় না; ব্যাপক ও স্থায়ী ETF অর্থপ্রবাহ চাপ সামলাতে পারে, আর ধারাবাহিক অর্থবহির্গমন ও শেয়ারবাজারের চলমান দুর্বলতা মনোভাবের ওপর চাপ ফেলতে পারে।