বিটকয়েনের অস্থিরতা কমেছে, তবে বড় দরপতন এখনও হচ্ছে
Grayscale-এর গবেষণায় বিটকয়েনের এক বছরের বাস্তবায়িত অস্থিরতা ৪৩% বলা হয়েছে, যা দশ বছরের গড় ৬৪% এবং পাঁচ বছর আগের ৮১% স্তরের চেয়ে কম। প্রতিষ্ঠানটি এই পতনের কারণ হিসেবে আরও গভীর তারল্য, প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নিয়ন্ত্রিত পণ্যের মাধ্যমে বিস্তৃত প্রবেশাধিকারের কথা বলেছে—এর মধ্যে ২০২৪ সালে অনুমোদিত যুক্তরাষ্ট্রের স্পট বিটকয়েন ETF-ও রয়েছে। K33 Research-ও ২০২৫ সালকে এখন পর্যন্ত বিটকয়েনের সবচেয়ে কম অস্থিরতার বছর বলে অভিহিত করেছে।
সারাংশগুলোতে S&P 500-এর শেয়ারগুলোর সঙ্গে তুলনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য রয়েছে: একটিতে বলা হয়েছে, ৫৭% কোম্পানির অস্থিরতা বিটকয়েনের চেয়ে বেশি ছিল; অন্য, পরবর্তী বিবরণে বলা হয়েছে, বিটকয়েনের অস্থিরতা তাদের ১৯%-এর চেয়ে কম ছিল। দুটি তুলনাই পৃথক কোম্পানির শেয়ার নিয়ে, সামগ্রিক S&P 500 সূচক নিয়ে নয়। পরবর্তী বিবরণে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের অক্টোবরে ১,২৬,০৮০ ডলারের রেকর্ড থেকে বিটকয়েন ৫০%-এর বেশি পড়ে যায়, পরে প্রায় ৮২,৪৮৫ ডলারে ফিরে আসে—যা এখনও সর্বোচ্চ দামের চেয়ে প্রায় ৩৫% কম। বিটকয়েনের কম অস্থিরতা পোর্টফোলিওতে সম্পদ বণ্টনের সিদ্ধান্তে কাজে লাগতে পারে, তবে এতে বড় দরপতনের ঝুঁকি দূর হয় না বা নিকট ভবিষ্যতে দামের দিক নির্ধারিত হয় না।
Neutral
বিটকয়েনের অস্থিরতা কমেছে—এমন প্রতিবেদন দীর্ঘমেয়াদে বাজারের পরিপক্বতা সম্পর্কে ধারণাকে জোরদার করতে পারে। গভীরতর তারল্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্রবেশাধিকার BTC-কে কিছু পোর্টফোলিও কৌশলের জন্য আরও উপযোগী করে তুলতে পারে এবং স্বাভাবিক দামের ওঠানামা কমাতে পারে। তবে, বাস্তবে দেখা অস্থিরতা অতীতনির্ভর; আর সর্বোচ্চ রেকর্ড দামের তুলনায় ৫০ শতাংশের বেশি পতনের যে খবর দেওয়া হয়েছে, তা দেখায় যে বড় ধরনের লোকসান এখনও সম্ভব। বিভিন্ন সারাংশে শেয়ারের সঙ্গে তুলনাগুলোও একরকম নয় এবং বিটকয়েনের দামের জন্য নির্ভরযোগ্য কোনো সংকেত দেয় না। স্বল্পমেয়াদে, ব্যবসায়ীরা এই গবেষণার চেয়ে দামের গতি, তারল্য এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির দিকে বেশি মনোযোগ দেবেন বলে ধারণা করা যায়। দীর্ঘমেয়াদে, অস্থিরতা ধারাবাহিকভাবে কম থাকলে বিনিয়োগ বণ্টনের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হতে পারে; তবে এই ফলাফল এককভাবে দাম বাড়া বা কমার ইঙ্গিত দেয় না।