OCC GENIUS আইনের অধীনে স্টেবলকয়েনের নিয়ম চূড়ান্ত করেছে
OCC GENIUS Act বাস্তবায়নের চূড়ান্ত বিধিমালা প্রকাশ করেছে, যা পেমেন্ট স্টেবলকয়েনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কাঠামোকে আরও বিস্তারিত করেছে। অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট আইনটিকে “একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত” বলে অভিহিত করেন এবং ১৮৬৩ সালের National Currency Act-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, দুটিই অর্থের জন্য একটি জাতীয় কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে। বিধিমালায় রিজার্ভ, রিডেম্পশন ও সংশ্লিষ্ট পরিষেবার বিষয় রয়েছে; এগুলো তত্ত্বাবধানাধীন ব্যাংক, ননব্যাংক প্রতিষ্ঠান এবং নির্দিষ্ট কিছু বিদেশি ইস্যুকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ১৮ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পেমেন্ট স্টেবলকয়েন ইস্যুকারীদের সাধারণত নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিতে হবে; অনুমোদনহীন ইস্যুর ক্ষেত্রে জরিমানা হতে পারে। বেসেন্ট বলেন, GENIUS Act প্রতিযোগিতা, বেসরকারি খাতের উদ্ভাবন এবং ডিজিটাল সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বকে উৎসাহিত করতে পারে। বিধিমালাটি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় অগ্রগতি নির্দেশ করে, তবে স্টেবলকয়েনের গ্রহণ বা বাজারের কার্যকলাপ সম্পর্কে নতুন কোনো পরিসংখ্যান দেয় না।
Neutral
নিয়মগুলো পেমেন্ট স্টেবলকয়েন ইস্যুকারীদের জন্য আরও স্পষ্টতা দেয়, তবে কোনো সারাংশেই এমন কোনো নির্দিষ্ট ক্রিপ্টোকারেন্সির কথা বলা হয়নি যার দামে সরাসরি প্রভাব পড়ে। স্বল্প মেয়াদে, ঘোষণাটি ব্যবসায়ীদের নতুন শর্ত পূরণ করতে সক্ষম ইস্যুকারী ও পরিষেবাগুলো যাচাই করতে উৎসাহিত করতে পারে; অন্যদিকে, স্টেবলকয়েন বাজারে যেকোনো প্রতিক্রিয়া ক্রিপ্টোর চাহিদায় সামগ্রিক পরিবর্তনের চেয়ে ইস্যুকারীভিত্তিক নির্দিষ্ট বিবরণের ওপর নির্ভর করার সম্ভাবনাই বেশি। দীর্ঘ মেয়াদে, আরও স্পষ্ট নিয়ম এবং অনুমোদনের নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পারে, আর নিয়ম মেনে চলার খরচ ও জরিমানা কিছু ইস্যুকারীর কার্যক্রম সীমিত করতে পারে। সারাংশগুলোতে গ্রহণযোগ্যতা, লেনদেনের পরিমাণ বা দামসংক্রান্ত কোনো নতুন তথ্য নেই, তাই কোনো নির্দিষ্ট ক্রিপ্টো সম্পদের ওপর সরাসরি মূল্যপ্রভাব অনিশ্চিত এবং একে নিরপেক্ষ হিসেবে মূল্যায়ন করাই সবচেয়ে যুক্তিসংগত।