মুনাফা প্রত্যাশা ছাড়ানো ও এআই খাতে ব্যয় বাড়ায় মেটার শেয়ারের দাম বেড়েছে
তৃতীয় প্রান্তিক ২০২৬-এ ৬৪.৬ বিলিয়ন ডলারের রাজস্বের কথা জানায় Meta। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ২৬% বেশি এবং বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি হওয়ায়, বাজার-পরবর্তী লেনদেনে Meta-র শেয়ারের দাম ৪%-এর বেশি বেড়েছে। শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩.৮৩ ডলার; এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোর অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত ৯.৮৯ বিলিয়ন ডলারের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ওই ব্যয় বাদ দিলে শেয়ারপ্রতি আয় হতো ৭.৪০ ডলার। বিজ্ঞাপনের ইমপ্রেশন ও দাম—দুটিই বাড়ায় বিজ্ঞাপন থেকে আয় ২৬% বেড়ে প্রায় ৬৩.১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
Meta জানিয়েছে, তাদের Muse AI এজেন্ট ছয় সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ১০ মিলিয়নের বেশি অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে। কোম্পানিটি চতুর্থ প্রান্তিকের রাজস্ব ৭৩ বিলিয়ন থেকে ৭৬ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে; এই সীমার মধ্যবিন্দু ওয়াল স্ট্রিটের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। ২০২৬ সালের মূলধনী ব্যয়ের পূর্বাভাসও বাড়িয়ে ১৩৫–১৪৫ বিলিয়ন ডলার করা হয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি ২.১২ বিলিয়ন ডলারের নেতিবাচক অবাধ নগদ প্রবাহের কথা জানিয়েছে।
Meta ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ভোটাধিকারহীন ক্লাস C শেয়ার বিতরণের পরিকল্পনা করেছে। এতে কার্যত ২-অনুপাত-১ শেয়ার বিভাজন হবে, পাশাপাশি মার্ক জাকারবার্গের ভোট নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে। ফলাফল ও পূর্বাভাস Meta-র শেয়ারকে সমর্থন জুগিয়েছে, তবে AI-তে বিপুল বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব ও মুনাফার প্রবৃদ্ধি আনতে পারে কি না, বিনিয়োগকারীরা তা নজরে রাখবেন।
Neutral
এই সংবাদটি মেটার প্রকাশ্যে লেনদেন হওয়া শেয়ার নিয়ে, কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ক্রিপ্টো প্রকল্প নিয়ে নয়। প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আয়, রাজস্বের শক্তিশালী পূর্বাভাস এবং AI-তে বাড়তি বিনিয়োগ বৃহত্তর প্রযুক্তি বাজারের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে, তবে সারাংশগুলোতে কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে—এমন কোনো কারণের উল্লেখ নেই। যেহেতু অনুরোধ করা মূল্যায়নটি নিবন্ধে উল্লিখিত কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির দামের ওপর প্রভাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, তাই উপযুক্ত শ্রেণিবিন্যাস হলো নিরপেক্ষ। ক্রিপ্টো বাজারে কোনো প্রভাব পড়লেও তা হবে পরোক্ষ ও অনিশ্চিত।