পিটার শিফের মতে, বিটকয়েনের পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ৭৫,০০০ ডলার
বিটকয়েনের সমালোচক ও সোনার সমর্থক পিটার শিফ বলেছেন, ৮০,০০০ ডলারের নিচে নেমে যাওয়ার পর বিটকয়েন দুর্বল হয়েছে এবং ৭৫,০০০ ডলার সম্ভাব্য পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে। শিফ সতর্ক করেছেন, বিটকয়েন ওই স্তরে টিকে থাকতে না পারলে হোল্ডারদের জন্য সপ্তাহান্তটি কঠিন হতে পারে। তিনি বিশেষভাবে স্পট বিটকয়েন ETF-এ বিনিয়োগকারীদের কথা উল্লেখ করেছেন, যারা সোমবার বাজার আবার খোলা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারবেন না। তাঁর মন্তব্যটি বাজার-সংক্রান্ত মতামত, বিটকয়েন ৭৫,০০০ ডলারে পৌঁছাবে—এমন নিশ্চয়তা নয়।
Bearish
প্রতিবেদনটির স্বল্পমেয়াদি সুর নেতিবাচক, কারণ বিটকয়েনের দাম ৮০,০০০ ডলারের নিচে নেমে যাওয়ার পর শিফ আরও দরপতনের সতর্কতা দিয়েছেন এবং ৭৫,০০০ ডলারকে সম্ভাব্য সমর্থন-স্তর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ ধরনের প্রকাশ্য মন্তব্য নেতিবাচক মনোভাব জোরদার করতে পারে, কিছু ট্রেডারকে তাদের বিনিয়োগের ঝুঁকি কমাতে প্ররোচিত করতে পারে এবং উল্লেখিত স্তরটিকে স্টপ অর্ডার ও কারিগরি লেনদেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে পারে। ETF বিনিয়োগকারীরাও সপ্তাহান্তের পর লেনদেনের ব্যবধানের দিকে নজর দিতে পারেন, যদিও নিবন্ধটিতে ETF থেকে অর্থ বেরিয়ে যাওয়া বা বাধ্যতামূলক বিক্রির কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়নি।
দামের পূর্বাভাসটি শিফের ব্যক্তিগত মতামত, নিশ্চিত কোনো বাজার-সংকেত নয়। অতীতের দরপতনের সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নেতিবাচক পূর্বাভাস কখনো কখনো অস্থিরতা বাড়িয়েছে, তবে শেষ পর্যন্ত দামের গতিপথ বেশি নির্ভর করেছে প্রকৃত কেনাবেচা, তারল্য, তহবিলের প্রবাহ এবং কারিগরি সমর্থন-স্তরগুলো টিকে থাকে কি না তার ওপর। বিটকয়েন সমর্থন-স্তরের ওপরে স্থিতিশীল হলে এবং আবার কেনাকাটা শুরু হলে সতর্কবার্তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব নাও থাকতে পারে। অন্যদিকে, ওই স্তরের নিচে ধারাবাহিক পতন স্বল্পমেয়াদে বিক্রির চাপ বাড়াতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে, শুধু এই মন্তব্যে বিটকয়েনের মৌলিক বিষয়গুলো বদলে যায় না; ট্রেডারদের ৮০,০০০ ও ৭৫,০০০ ডলারের আশপাশের দামের গতিবিধি, ETF-এর অর্থপ্রবাহ এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা উচিত।