নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইরানের অর্থনৈতিক সংকটের কথা তুলে ধরলেন পেজেশকিয়ান
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশটির “যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়” এমন পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার সামর্থ্য হারাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং রিয়ালের তীব্র দরপতন ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, এই চাপ পেজেশকিয়ানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়াতে পারে। পলিমার্কেটের একটি চুক্তিতে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাঁর পদ ছাড়ার সম্ভাবনা ৯.৫ শতাংশ ধরা হয়েছে; নিবন্ধে পরিবর্তন বা ২৪ ঘণ্টার লেনদেনের পরিমাণের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে কোনো সরাসরি প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
Neutral
প্রতিবেদনটি ইরানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের কথা তুলে ধরেছে, তবে এর সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের সরাসরি কোনো যোগসূত্র দেখায়নি এবং নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা, সামরিক পদক্ষেপ বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কথাও জানায়নি। পলিমার্কেটের পরিসংখ্যান—৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পেজেশকিয়ানের পদত্যাগের ৯.৫% সম্ভাবনা—ভবিষ্যদ্বাণীভিত্তিক বাজারের প্রত্যাশার একটি সীমিত চিত্র দেয়। কোনো পরিবর্তন বা লেনদেনের পরিমাণের খবর না থাকায়, এটি বাজারের মনোভাবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের প্রমাণ নয়।
স্বল্পমেয়াদে, বৃহত্তর উত্তেজনা বৃদ্ধির লক্ষণ আছে কি না তা দেখতে ব্যবসায়ীরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে পারেন। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে গেলে বৈশ্বিক বাজারে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা তৈরি হতে পারে, যা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পাশাপাশি ক্রিপ্টোর ওপরও চাপ ফেলতে পারে; একই সঙ্গে তেল ও নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিবেচিত সম্পদ আলোচনায় আসতে পারে। তবে নিবন্ধটি নিজে এমন উত্তেজনা বৃদ্ধির কোনো প্রমাণ দেয় না।
দীর্ঘমেয়াদে, নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তন বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক জ্বালানি বাজার এবং সামগ্রিক ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতাকে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে ক্রিপ্টোর ওপর পরোক্ষ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা আছে। আপাতত, এই খবরকে স্বতন্ত্র লেনদেনের অনুঘটক হিসেবে নয়, বরং পটভূমিগত ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে দেখা ভালো। ক্রিপ্টোর দামের ওঠানামা, তারল্য এবং সামগ্রিক ঝুঁকি মনোভাবই সম্ভবত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে।