দক্ষিণ কোরিয়া ডিজিটাল সম্পদের ওপর কর ২০২৯ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে দিতে চাইছে
দক্ষিণ কোরিয়া ডিজিটাল সম্পদ কর দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করার পরিকল্পনা করছে। এতে প্রস্তাবিত শুরুর তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে পিছিয়ে ১ জানুয়ারি ২০২৯ হবে। উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী লি হিয়ং-ইল সিউলের এক ব্রিফিংয়ে প্রস্তাবটি ঘোষণা করেন; তবে অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি। কর কাঠামো ও সহায়ক অবকাঠামো উন্নত করতে সরকার সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনাও করছে, পাশাপাশি ডিজিটাল সম্পদবিষয়ক আইন প্রণয়নের কাজ দ্রুততর করবে। কর্মকর্তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ২০২৯ সালের পর মার্কিন ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের ওপর কর আরোপে দক্ষিণ কোরিয়াকে সহায়তা করতে পারে। ডিজিটাল সম্পদ কর পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবের অর্থ হলো, এখনই নতুন কোনো কর আরোপের সম্ভাবনা নেই; তবে দীর্ঘমেয়াদে সীমান্তপারের তথ্য প্রতিবেদন ও কর-অনুবর্তিতা আরও জোরদার হতে পারে।
Neutral
প্রস্তাবিত বিলম্বের ফলে স্বল্পমেয়াদে ক্রিপ্টোকারেন্সির দামে সরাসরি এবং পুরো বাজারজুড়ে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। এটি দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগকারীদের সম্ভাব্য করের বোঝা পিছিয়ে দেয়, যা সীমিত আশ্বাস দিতে পারে। তবে প্রস্তাবটি এখনও গৃহীত হতে হবে, আর সারসংক্ষেপগুলোতে লেনদেনের নিয়ম বা বাজারে প্রবেশাধিকারে তাৎক্ষণিক কোনো পরিবর্তনের কথা বলা হয়নি। তাই ব্যবসায়ীরা ঘোষণাটির চেয়ে অনুমোদনের অগ্রগতির দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদে, আরও শক্তিশালী কর কাঠামোর পরিকল্পনা এবং বিদেশি এক্সচেঞ্জ ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য ব্যবহারের সম্ভাবনা—এ দুটোই নিয়ম মেনে চলার খরচ বাড়াতে পারে বা লেনদেন ও সম্পদ ধরে রাখার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। এসব প্রভাব ধীরে ধীরে দেখা দেবে এবং নির্দিষ্ট বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। কোনো নির্দিষ্ট ক্রিপ্টোকারেন্সির কথা উল্লেখ করা হয়নি বলে দামের প্রভাব সম্পর্কে নিরপেক্ষ মূল্যায়নই সবচেয়ে উপযুক্ত।