যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের দাম বাইডেনের শাসনামলের গড়ের চেয়ে সামান্য বেশি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের জাতীয় গড় দাম প্রতি গ্যালনে ৩.৪৭২ ডলারে উঠেছে, যা জো বাইডেনের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ৩.৪৭১ ডলারের গড়ের চেয়ে সামান্য বেশি। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং তেল সরবরাহে বিঘ্নকে জ্বালানির খরচ বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেট্রলের দাম বাড়লে অর্থনৈতিক চাপ বাড়তে পারে এবং আসন্ন সিনেট নির্বাচন ঘিরে জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে, যদিও এ দাবির পক্ষে কোনো জনমত জরিপের প্রমাণ দেওয়া হয়নি। তেল ও পেট্রলের দামে আরও পরিবর্তনের আভাস পেতে ব্যবসায়ীরা ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি এবং OPEC+-এর উৎপাদন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখবেন।
Neutral
প্রতিবেদনটিতে ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্য সরাসরি কোনো প্রভাবক নেই, তাই ক্রিপ্টো লেনদেনে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব সম্ভবত সীমিত। তেলের সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে পেট্রলের দাম বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াতে পারে। অতীতে জ্বালানির দাম বাড়ার সময় বাজারগুলো প্রায়ই আরও কঠোর মুদ্রানীতি এবং ভোক্তা ব্যয় কমে যাওয়ার সম্ভাবনার দিকে নজর দিয়েছে; এ ধরনের উদ্বেগ ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে এই নিবন্ধে শুধু বাইডেন-যুগের গড়ের তুলনায় খুব সামান্য বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে; এতে তেলের দামের দীর্ঘস্থায়ী ঊর্ধ্বগতি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে পরিবর্তনের প্রমাণ দেওয়া হয়নি। তাই স্বল্পমেয়াদে ক্রিপ্টোর ওঠানামা শুধু এই শিরোনামের চেয়ে তেলের বাজারের বৃহত্তর পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতির তথ্য, সুদের হারের প্রত্যাশা এবং বাজারের অবস্থানের ওপর বেশি নির্ভর করার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা বাড়াতে পারে, আর তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল হলে সেই চাপ কমবে। ক্রিপ্টো-নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা নীতিগত ঘোষণার অনুপস্থিতিতে নিরপেক্ষ বাজার শ্রেণিবিন্যাসই সবচেয়ে উপযুক্ত।