সেপ্টেম্বরে বার্ষিকীকৃত হিসাবে অর্থের জোগান ৬% বেড়েছে

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মৌসুমভিত্তিক সমন্বয় করা অর্থের জোগান সেপ্টেম্বরে ১১৩ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে, যা বার্ষিক হিসাবে ৬ শতাংশ বৃদ্ধির সমান। এতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে প্রতি মাসেই অর্থের জোগান ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। লেখকের যুক্তি, সুদের হারের পাশাপাশি অর্থের জোগানও আর্থিক পরিস্থিতি পরিমাপের একটি উপায়; আর উচ্চ মূল্যস্ফীতি ফেডারেল রিজার্ভের পক্ষে সুদের হার উঁচুতে ধরে রাখার সক্ষমতা সীমিত করতে পারে। প্রতিবেদনটিতে তথ্যসূত্রের বিস্তারিত দেওয়া হয়নি এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার নিয়ে সরাসরি আলোচনা করা হয়নি।
Neutral
অর্থের জোগানে বার্ষিক ৬% বৃদ্ধি উন্নততর তারল্যের ইঙ্গিত দিতে পারে। এই বৃদ্ধি আর্থিক বাজারে পৌঁছালে তা ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদকে সহায়তা করতে পারে। অতীতে মুদ্রানীতি সম্প্রসারণের বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ীরা কখনও কখনও বাড়তি তারল্যকে বিটকয়েন ও অন্যান্য ডিজিটাল সম্পদের জন্য সহায়ক হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে নিবন্ধটিতে শুধু এক মাসে ডলারের অঙ্কে বৃদ্ধির পরিমাণ এবং বার্ষিকীকৃত হার দেওয়া হয়েছে; বৃহত্তর তারল্য পরিস্থিতি কিংবা পরিসংখ্যানগুলোর উৎস ও নির্ভরযোগ্যতা মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট তথ্য নেই। এতে স্থায়ী মূল্যস্ফীতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে, যা সুদের হার উঁচুতে ধরে রাখতে পারে বা ফেডারেল রিজার্ভের নীতি নিয়ে প্রত্যাশাকে জটিল করে তুলতে পারে। অর্থের জোগান বাড়লেও এই অনিশ্চয়তা ক্রিপ্টোর মূল্যায়নে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিবেদনে ক্রিপ্টো-নির্দিষ্ট কোনো সরাসরি প্রভাবক নেই, তাই সম্ভাব্য প্রভাব সীমিত: ব্যবসায়ীরা তারল্য ও সুদের হারের প্রত্যাশা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, কিন্তু শুধু এই খবর থেকে দিকনির্দেশক কোনো স্পষ্ট সংকেত পাওয়া যায় না। স্বল্প মেয়াদে মূল্য ওঠানামা বেশি নির্ভর করতে পারে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ, ফেডের বক্তব্য এবং বাজারের অবস্থানের ওপর। দীর্ঘ মেয়াদে, আর্থিক পরিস্থিতি শিথিল হওয়ার সঙ্গে মিললে ধারাবাহিক মুদ্রানীতি সম্প্রসারণ সহায়ক হতে পারে; তবে শুধু এই নিবন্ধ থেকে সেই প্রবণতা নিশ্চিত করা যায় না।