চাহিদা কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বন্ধকী ঋণের সুদের হার বেড়ে ৭.৪৯%

যুক্তরাষ্ট্রে বন্ধকী ঋণের সুদহার আরও বেড়েছে, ফলে আবাসনের চাহিদা ও সাধ্যের ওপর চাপ বাড়ছে। আগের এক প্রতিবেদনে ৩০ বছর মেয়াদি স্থির সুদহারের ঋণের গড় সুদহার ৬.৯৫% থেকে বেড়ে ৭.০১% হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল, আর ১৫ বছর মেয়াদি ঋণের সুদহার বেড়ে ৬.৪২% হয়। পরবর্তী এক MBA প্রতিবেদনে বলা হয়, ২ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে ৩০ বছর মেয়াদি ঋণের সুদহার ৭.৪৯%-এ পৌঁছেছে—যা ২০২৩ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ এবং ফেব্রুয়ারির শেষের তুলনায় প্রায় ১.৪ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদহার বৃদ্ধির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের ইল্ডও বেড়েছে। আগের প্রতিবেদনে ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি ইল্ড প্রায় ৫.০৮% বলা হয়েছিল; পরের প্রতিবেদনে তা ৫.৩%-এর বেশি উল্লেখ করা হয় এবং এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে স্থায়ী মূল্যস্ফীতি-উদ্বেগ ও প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের বেশি তেলের দামকে চিহ্নিত করা হয়। ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সুদহারের তুলনায় ট্রেজারি ইল্ড ও বন্ধকী-সমর্থিত সিকিউরিটিজ বন্ধকী ঋণের সুদহারকে আরও সরাসরি প্রভাবিত করে। আবাসন-সংক্রান্ত সূচকগুলো দুর্বল চাহিদার ইঙ্গিত দিচ্ছে: আগের প্রতিবেদনে বন্ধকী ঋণের আবেদন ও নতুন বাড়ির আবেদন কমার কথা বলা হয়েছিল। অন্যদিকে, পরবর্তী MBA তথ্যে দেখা যায়, আগের সপ্তাহের তুলনায় মোট আবেদন ৪.২% কমেছে; এর মধ্যে বাড়ি কেনার আবেদন ২.১% এবং পুনঃঅর্থায়ন ৭.৫% কমেছে। ঋণ নেওয়ার খরচ বেড়ে যাওয়ায় কম সুদে ঋণ নেওয়া বাড়ির মালিকেরাও বাড়ি বিক্রি করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ক্রিপ্টো ব্যবসায়ীদের জন্য এই পরিসংখ্যান কঠোর আর্থিক পরিস্থিতির আরও প্রমাণ, যা ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ কমাতে পারে; তবে প্রতিবেদনগুলোতে ক্রিপ্টো বাজারের ওপর সরাসরি কোনো প্রভাবের কথা বলা হয়নি।
Neutral
কোনো সারাংশেই নির্দিষ্ট কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির উল্লেখ নেই, এবং প্রতিবেদনগুলোতে ক্রিপ্টো বাজারের সরাসরি কোনো তথ্যও নেই। উচ্চতর বন্ধকি ঋণের সুদের হার ও ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড আর্থিক পরিস্থিতি কঠোর করে পরোক্ষভাবে ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ কমাতে পারে, যা স্বল্পমেয়াদে ক্রিপ্টোর দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব নির্ভর করবে ইল্ড, মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা এবং মুদ্রানীতির গতিপথের ওপর। কোনো নির্দিষ্ট সম্পদের নাম বা ক্রিপ্টো-সংশ্লিষ্ট স্পষ্ট অনুঘটক না থাকায় নির্দিষ্ট কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির দামের ওপর প্রভাবকে বুলিশ বা বিয়ারিশ বলা যায় না; নিরপেক্ষ মূল্যায়নই যথাযথ।